1. news.protidineraporadh@gmail.com : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ :
  2. hridoyperfect@gmail.com : HRIDOY :
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বাপ ছেলের সঙ্গেই যদি করতে পারি বাইরে করতে দোষ কী | দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
অসহায় নারীদেরকে দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ বিয়েবাড়িতে ‘দই’ নিয়ে দ্বন্দ্ব: মারধরে কনের বাবার মৃত্যু কুমারখালীতে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া উজানগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক জনপ্রিয়তায় শীর্ষে আসামী ছাড়িয়ে নিতে থানায় মল ঢেলে দেবার হুমকী কুমারখালীতে শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তা ও আইন শৃংখলা মিটিং অনুষ্ঠিত যুদ্ধকালীন কমান্ডার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান আর্থিক সহায়তা চাইতে এসে লাশ হলেন অজ্ঞাত নারী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কুমারখালীতে ২১ হাজার গণটিকা প্রদান স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর এলাকাবাসীর উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার

বাপ ছেলের সঙ্গেই যদি করতে পারি বাইরে করতে দোষ কী

Reporter Name
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৪১ বার পঠিত হয়েছে

আমার বয়স যখন ১২ বছর তখন আমার বাবা এক বাসায় কাজ করতে রেখে যায়। ঐ বাসায় যখন সাহেব-ম্যাডাম বাসার বাহিরে চলে যেত তখনই ছেলে জোর করে আমার সঙ্গে যৌ*নকর্ম করত। এভাবে চলতে থাকে দিনের পর দিন। আবার যখন সাহেব একা বাসায় থাকত তখন তিনিও আমাকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে তার রুমে যৌ*নকর্ম করতে বাধ্য করত। আমি এসব বিষয়ে ম্যাডামকে কিছুই বলতে সাহস পেতাম না, কারণ উনিও আমাকে অনেক নির্যাতন করত। কথাগুলো একজন ভাসমান যৌ*নকর্মী রিমি আখতারের।রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় বসবাস করেন তিনি। বাপ-ছেলের যৌ*ন লালসার শিকার হয়ে অবশেষে পেশা হেসেবেই বেছে নেন এই কর্মকে। বলেন, বাপ-ছেলে দুজনের সাথে এক কাজ করতে আমার খারাপ লাগতো। পরে ভেবে দেখলাম বাপ-ছেলের সঙ্গেই যদি এই কাজ করতে পারি, তাহলে পেশা হিসেবে নিতে আর দোষ কী? তাই এ পথে নেমে গেলাম। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ আমাদের খারাপ বলে জানে। আসলে আমাদেরকে এ পথে কারা আনতে বাধ্য করে? কাদের কারণে আমরা এ পথ বেঁছে নিয়েছি এটি কেউ জানতে চায় না। আমরা অসহায়, চাইলেও এ পথ থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি না। রিমির সাথে থাকা আরেক যৌ*ন কর্মী বলেন, আমার স্বামী নির্যাতন করত, খাবার দিতনা, বাসায় বন্দী করে রাখত। একবার ইট দিয়ে মেরে আমার দুই পা থেঁতলে দিয়েছিল। তাই আমি দুটি সন্তান নিয়ে চলে আসি। আমার সন্তানদের মানুষ করতে এ পথ বেঁছে নিয়েছি। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে জানা গেছে, সারাদেশে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার শিশু ও নারী স্বামীর হাতে অথবা বাসা বাড়িতে কাজ করতে এসে যৌ*ন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এর ফলে এদের অধিকাংশই যৌ*নকর্মী অথবা মৃত্যুর পথ বেঁছে নিচ্ছেন।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ . . .
© All rights reserved © 2018 PRATIDINERAPORADH.COM
Theme Customized BY AKATONMOY HOST BD
Bengali Bengali English English Hindi Hindi Spanish Spanish