1. news.protidineraporadh@gmail.com : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ :
  2. hridoyperfect@gmail.com : HRIDOY :
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
কুমারখালীতে অর্দ্ধশত বছরের খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ | দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
অসহায় নারীদেরকে দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ বিয়েবাড়িতে ‘দই’ নিয়ে দ্বন্দ্ব: মারধরে কনের বাবার মৃত্যু কুমারখালীতে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া উজানগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক জনপ্রিয়তায় শীর্ষে আসামী ছাড়িয়ে নিতে থানায় মল ঢেলে দেবার হুমকী কুমারখালীতে শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তা ও আইন শৃংখলা মিটিং অনুষ্ঠিত যুদ্ধকালীন কমান্ডার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান আর্থিক সহায়তা চাইতে এসে লাশ হলেন অজ্ঞাত নারী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কুমারখালীতে ২১ হাজার গণটিকা প্রদান স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর এলাকাবাসীর উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার

কুমারখালীতে অর্দ্ধশত বছরের খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ

Reporter Name
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২৪৭ বার পঠিত হয়েছে

উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর বাজার সংলগ্ন বাউডাঙে খাল দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায় সারা বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় খাল খনন প্রকল্পে শিলাইদহের কুঠিবাড়ি সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে মির্জাপুর, বাঁখই, শিবরাম পুর হয়ে বড়ুরিয়া গড়াই নদী পর্যন্ত সংযোগ খাল স্থাপন করা হয়। উল্লেখিত খাল দিয়ে উভয় নদীর প্রবাহিত পানি দিয়েই কৃষকদের সেচকাজের চাহিদা নিবারন হতো। কিন্তু ইদানীং কালে দেখা যায় অধিকাংশ এলাকায় খালের মাঝে ভরাট করে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল তাদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করছে। এমনি করে মির্জাপুর বাজার সংলগ্ন উল্লেখিত খালের উপর মৃত বদরউদ্দিনের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম মন্টু দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেছেন। এ বিষয়ে নুরুল ইসলাম মন্টু জানান, খালের জমির প্রকৃত মালিক তিনি। মির্জাপুর মৌজার আরএস ৩০২ নং দাগের উপর নির্মিত দ্বিতল ভবন তার পৈতৃক সম্পত্তির উপর নির্মিত করেছেন। সরকারী ভাবে খাল খননের পর সেই জমি ব্যক্তি মালিকানার অন্তর্ভুক্ত থাকে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে জানান, খাল ভরাট করে তিনি ভবন নির্মাণ করেন নাই। নীচে কলম পিলার নির্মাণের মাধ্যমে ফাঁকা রেখে পানি চলাচলের জায়গা ঠিক রেখে ভবন নির্মাণ করেছেন। সরকারি জায়গায় সরকারের হস্তক্ষেপের পর আর ব্যক্তি মালিকানাধীন থাকে কিনা বা সেই জায়গা দখলে নেয়া যায় কিনা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসে দেখে গিয়েছিলেন তখন তিনি কোনরূপ বাধা প্রদান করেন নাই। এমনি করে একাধিক স্থানে সরকারি জায়গা দখল করে স্বার্থান্বেষী মহল তাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করছে। অচিরেই বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করা যাচ্ছে।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ . . .
© All rights reserved © 2018 PRATIDINERAPORADH.COM
Theme Customized BY AKATONMOY HOST BD
Bengali Bengali English English Hindi Hindi Spanish Spanish