কুমারখালীর শেরকান্দী এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বেপরোয়া


দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ প্রকাশের সময় : মার্চ ৮, ২০১৯, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন / ৩৮২
কুমারখালীর শেরকান্দী এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বেপরোয়া

কুমারখালী থানার শেরকান্দী গ্রামে চলছে চাঁদাবাজ ও মাস্তানদের রাজত্য ।তাদের ভয়ে মুখ খুলতে এবং থানায় কোনো প্রকার অভিযোগ ও দিতে পারেন না কেউ।তাদের ভয়ে প্রশাসনের  কাছে কিছু বলতে না পেরে মোঃ বাচ্চু জানান,২০১৮ এর আনুমানিক জুলাই মাসে তিনি এক নবদম্পত্তির বিবাহ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এবং প্রধান সাক্ষী হয়ে দেন।তিনি তাদের পরিবারের সহমতে তাদের কে একটি ঘর ভাড়াও করে দেন। কিন্তু এরই মাঝে গত ০৫/০৩/২০১৮ ইং যখন বিবাহিত দম্পত্তি গোলাপ এবং তার স্ত্রী  তাদের ভাড়া বাসাতে যায় তখন স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ এবং মাস্তান তাদের কে আটকায় এবং তাদের কে বলে যে তারা ভুয়া দম্পত্তি। তাদের কে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে । তাদের গন্ডগোল দেখে প্রতিবেশি মোঃ বাচ্চু (সহকারী সম্পাদক,প্রতিদিনের অপরাধ) এর স্ত্রী এসে বলেন যে তিনি আগামী কালকে তাদের বিয়ের কাবিন নামা তুলে নিয়ে এসে জনসম্মূখে তুলে ধরবেন তখন বিষয়টি এক প্রকার শান্ত হলেও পরের দিন বাচ্চুর স্ত্রী কাবিন নামা তুলে নিয়ে আসার সময় এই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাস দল ঘিরে ধরে তাকে। ঘিরে ধরে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। তাদের মধ্যে ৩ জনের নাম হল,বাবুলের ছেলে সবুজ (২৩),নূর ইসলামের ছেলে রাহাত (২২), বাচ্চুর ছেলে লিখন (২৫)। এদের বাসা ঐ এক স্থানেই।তাদের একটা অনেক বড় গ্যাং আছে বলেও জানা যায়।তারা আরো বলেন যে এই জায়গা বাসা ভাড়া থাকতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিয়েই থাকা লাগবে। চাঁদাবাজ থেকে একজন বলেন যে ৭ দিনের মধ্যে ১ লক্ষ টাকা না দিলে মোঃ বাচ্চু এর স্ত্রীকে তারা জনসম্মূখে ধর্ষণ করবেন এবং এই বেপার নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করলে তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তারা । তাদের কিছু করার ক্ষমতা নাকি কারোর নেই।প্রত্যেকে নাকি ছাত্রলীগ করেন। তাদের হাতে নাকি অনেক বড় বড় নেতাও আছে কোনো পুলিশ প্রসাশনকে তারা ভয় পায় না এবং পুলিশ প্রসাশন নাকি তাদের কিছুই করতে পারবেন না বলেও দাবী করে। তাদের ভয়ে কিছু না করতে পেরে মিডিয়ার আশ্রয় নেই বাচ্চু এবং তার পরিবার । ঐ একই এলাকার কাউন্সিলর মোঃ হিরোর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান,এইসব বাজে ছেলেদের কারণেই সমাজ নষ্ট হচ্ছে এদের কঠরতর শাস্তি হওয়া উচিত । এই বিষয়ে মোঃ বাচ্চুর সকল পদক্ষেপে পাশে থাকবেন তিনি। সরজমিন গো-হাট এলাকার মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানায়, এই সব ছেলে গুলার অনেক বড় একটা দল আছে।এরা সাধারনত মাদকসেবী। এরা কোনো প্রকার কাজ করে না।এভাবে বিভিন্ন সরল,অসহায় মানুষকে নির্যাতন করে এবং তাদের ঘরের মা-বোনদের প্রকাশ্যে ধর্ষণ এবং খুনের হুমকি দেখিয়ে তারা টাকা উপার্জন করে ও সেই টাকা দিয়ে বিভিন্ন খারাপ কার্যকালাপ এবং মাদক সেবন করে তারা।তাদের এই হুমকি আর নির্যাতনের শিকার বাচ্চু জানান,এই হুমকির পর অনেক ভয়-ভীতির মধ্যে তারা জীবনযাপন করছে তারা । এছাড়াও এই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাস দলের বিরুদ্ধে কিছু মেয়ে বলেন যে , এই সব ছেলে আমাদের দেখলেই বাজে বাজে কথা বলে। এই সব ছেলেদের জন্য মেয়েদের রাস্তায় বের হওয়াও অসম্ভব প্রায় হয়ে উঠেছে। সচেতন মহলের দাবী এই তিন জনকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এর পিছনের রাঘব বোয়াল বেরিয়ে আসবে। এই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাস চক্রের গডফাদারকে তারা আইনের কাঠগড়ায় দেখতে চাই এবং কঠর শাস্তির দাবী করেন । তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সকল প্রসাশনের কাছে দাবী জানায় তারা।