স্ত্রীর হাত ভেঙে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখলো স্বামী


দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১০, ২০২১, ১২:০০ পূর্বাহ্ন / ৩৪
স্ত্রীর হাত ভেঙে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখলো স্বামী

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্ত্রীর হাত ভেঙে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ৬ ঘন্টা ফেলে রাখার পরও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি পাষন্ড স্বামী। উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের দড়িকোমড়পুর গ্রামে গত ৫ আগষ্ট এই ঘটনা ঘটে। সোমবার সুবিচারের আশায় স্ত্রী বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে কুমারখালী থানায়। পাষন্ড স্বামী নন্দলালপুর ইউনিয়নের দড়িকোমরপুর গ্রামের আজীজ প্রামাণিকের ছেলে রেকোন প্রামাণিক (৪৫)। নির্যাতনের শিকার স্ত্রীর মা ফরিদা বেগম জানান, ১৬ বছরে তার মেয়ে কখনো সুখ পায়নি। বিয়ের পর থেকেই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মেয়েকে নির্যাতন করে তার জামাই। ১০ বছর আগে তার মেয়েকে শারীরিক ভাবে নির্যাতনের এক পর্যায়ে ঘাড়ের উপর আঘাত করলে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরে এবং পরীক্ষা করে ডাক্তার জানান ঘাড়ের শিরার মধ্যে রক্ত জমে ইনফেকশন হয়ে গেছে। রেস্টে না থাকলে তাকে বাঁচানো যাবেনা। কিন্তু রেস্ট কখনো নেয়া হয়নি তার মেয়ে খালেদার। মাঝে মাঝেই মেয়েকে মারধর করে ভ্যানে পাঠিয়ে দেয় তাদের বাড়িতে। এবং ৪দিন আগে কথা কাটাকাটির জেরে তার মেয়ের ঘাড়ে আঘাতের জায়গায় পূণরায় রেকোন আঘাত করে এসময় খালেদা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙে ফেলে রেখে চলে যায়। বিকেলের দিকে সংবাদ পেয়ে তারা মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেন । তিনি আরো জানান ডাক্তার বলেছেন তার মেয়ের হাতের হাড় ফেটে গেছে। যেকারণে এবার বাধ্য হয়ে খালেদা তার পাষন্ড স্বামী রেকোনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছে সুবিচারের আশায়। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।