টমেটোর হরমোন নিয়ে দৌলতপুরে তোলপাড়


দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১১, ২০১৯, ৭:৫৬ পূর্বাহ্ন / ১৮৭
টমেটোর হরমোন নিয়ে দৌলতপুরে তোলপাড়

মোঃ সম্রাট আলী ( দৌলতপুর প্রতিনিধি ) : মাসের প্রথম সপ্তায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের স্থানীয় সাংবাদিকদের চোখ পড়ে কৃষি জমির সবজি চাষে। মৌসুমী ফসল হিসাবে মাঠ ভরা গাঢ় সবুজ টমেটো দেখা যায় আদাবাড়ি এবং বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ফসলের মাঠে। কিন্তু বাজারজাত প্রক্রিয়ায় এসে মিলে অবাক করা নয় ছয়। ভালো দাম এবং উপযুক্ত বাজার দরে বিক্রি করতেই কাচা টমেটো পাকানো হচ্ছে হরমোন ব্যাবহার করে। ক্ষেত থেকে তোলা টমেটোতে স্প্রে মেশিন দিয়ে দিনে দুপুরেই আইন লঙ্ঘন করে হরমন ছিটিয়ে দিতে দেখা যায় কৃষক এবং পাইকারদের। উঠে আসে ভিডিও চিত্রও। ইডেন ও গার্ডেন নামের নিম্ন মানের এই হরমন খুব সহজেই দৃষ্টি কাড়া রূপ দিচ্ছে টমেটোকে। ভিডিও চিত্রে দেখা যায় সেই টমেটোতে কামড় লাগাতে নিজেই নারাজ স্প্রে ব্যবহারকারী। ট্রাক ভরে মাঠের ফসল ছুটবে ঢাকার কারওয়ান বাজার,চট্টগ্রামসহ আরো বড়-বড় সব সবজি বাজারে।

অন্যদিকে, লাল টকটকে এই টমেটো তে বেশি দাম আসে বলেই প্রান্তিক কৃষক ও আড়তদার এধরনের কাজ করছে, তবে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা নিয়ে এ ধরনের বেআইনি কাজে অনুৎসাহিত করতে নিয়মিত কাজ চলছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.কে.এম কামরুজ্জামান।

এমন খবর প্রকাশের পরপরই নজর আসে কেন্দ্রীয় সব বড়-বড় গণমাধ্যমের। অনেকেই অবাক হন, আড়তের গোপনীয়তায় নয় মাঠ পর্যায়ে প্রকাশ্যে এই কাজের খবরে।

এই ক্যামিকেল ব্যবহারের শাস্তি এবং ক্ষতিকর দিক সম্বন্ধে অতটা অবগত নয় অযুহাত প্রক্রিয়াজাতকারীদের।

উপজেলাটিতে সবজি চাষে সাম্প্রতিক যে বিপ্লব ঘটেছে তা যেন কোন ভাবেই মান ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে সরকারি নজরদারি চাইছেন এলাকাবাসী।

তবে এলাকার বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এখনও ক্যামিকেল মুক্ত নানা সবজি পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।