কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে


দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৯, ২০২০, ৫:০৮ অপরাহ্ন / ৩৩০
কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে

কুমারখালী শিলাইদহ ইউনিয়নের জাহেদপুর টু কোমরকান্দি ১ হাজার ৬০০ মিটার রাস্তা পাকাকরনের কাজ প্রায় ৬ মাস পূর্বে শুরু করে বেড কেটে ফেলে রাখলেও কাজের কোন অগ্রগতি না থাকার কারনে জন দুর্ভোগ চরমসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানা যায়। সরেজমিন গেলে একাধিক ভুক্তভোগী জানান, প্রায় ৬ মাস আগে রাস্তার বেড কেটে রেখেছে। মাঝে মাঝে বালুর স্তুপ। একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমে।আমরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারছিনা।একজন মানুষ অসুস্থ হলেও কোন ডাক্তার আসতে চায়না এই দুর্ভোগের রাস্তা দিয়ে। কেউ অসুস্থ হলে যানবাহনে করে হাসপাতালে নেওয়ারও উপায় নেই।পাখি ভ্যান,অটোগাড়ি সহ কোন যানবহনই চলতে পারছেনা। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না। সর্বোপরি জনদুর্ভোগ চরম সীমা অতিক্রম করেছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সুত্রে জানা যায়,”বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের “আওতায় জাহেদপুর পাকা রাস্তা হতে কোমরকান্দি পাকা রাস্তা পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ মিঃ কাজ গত ১৪/০৫/২০১৯ ইং তারিখে শুরু হয়ে ১০/১১/২০১৯ ইং তারিখে শেষ করার কথা।যার প্রাক্কালিত মূল্য ১ কোটি ১৪ লক্ষ ১৩ হাজার ৬০ টাকা এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে নির্বাচিত হন কুষ্টিয়া -৭০০০, বি/২২৯ হাউজিং এস্টেট এর হুমায়ন এন্ড সন্স ট্রেডার্স। এবিষয়ে স্থানীয় অটো চালক হালিম জানান,দীর্ঘ দিন যাবৎ বেড কাটা অবস্থায় পরে আছে রাস্তাটি। অটো নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারিনা। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছি আমরা। ফেরিওয়ালা সেন্টু জানান,বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি বেঁধে যায়।ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারেনা।কেউ অসুস্থ হলে ডাক্তার আসতে চায়না। কোন যানবহন চলতে পারেনা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটার জিয়াউল হক স্বপন এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানান,বেড কাটার পর দেখা যায় এঁটেল মাটির কারনে পানি নিস্কাশন হচ্ছেনা যে কারনে কাজ আরম্ভ করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো জানান, জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে দ্রুত রাস্তার কাজ শেষ করার উদ্দেশ্য পাথর, বিটুমিন সহ সমগ্র নির্মাণ সামগ্রী ঐ এলাকাতে কাজ শুরু করার সাথে সাথে এনে ফেলে রাখা হয়েছে। শুধু মাত্র প্রকৃতির বৈরিতার কারণে কাজ আরম্ভ করা সম্ভব হয়নি। আশা করছি অল্প দিনেই কাজ শেষ হবে। উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুব আলম জানান,গতকাল পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। মাটি ভেজা থাকায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরো জানান,কাজ দ্রুত শেষ করতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।