সিলেট বিশ্বনাথ উপজেলায় দশঘর ইউনিয়নের জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ!


দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৭, ২০১৯, ১২:২৫ অপরাহ্ন / ৫০০
সিলেট  বিশ্বনাথ উপজেলায় দশঘর ইউনিয়নের জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ!

সিলেট  বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সরকারি নিয়মানুযায়ী শিশুর জন্ম থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত জন্ম নিবন্ধন ফ্রি। ৫ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকা, ৫ বছরের উপরে সব বয়সীদের ৫০ টাকা ফি নেয়ার নিয়ম থাকলেও উল্টো নিয়মে চলছে উপজেলা দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ সাবুল আহমেদের আইন। প্রতি জন্ম সনদে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ফি আদায় করছেন বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা। বিশ্বনাথ উপজেলা দশঘর ইউনিয়নে জন্মসনদের অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন সচিব ও চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে।
মঙ্গল বার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। দশঘর ইউনিয়নের বরুনী গ্রামের মো. ছেরাগ আলী, সাবেক ইউ,পি সদস্য মোঃদুদু মিয়া, নাচুণী গ্রামের মো.ইমান আলী, মোঃ গয়াছ মিয়া, আব্দুল কালাম, মোঃ মানিক মিয়া সহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ২ বছরের শিশুর ৩০০ টাকা কমে জন্ম সনদ দেওয়া যাবে না বলে জানান ইউপি সচিব। তাই বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে জন্মসনদ নিয়েছি। ইউনিয়নে এ অভিযোগ নতুন নয়। সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে ইউপি সচিব চেয়ারম্যান, জন্মনিবন্ধন সনদে অতিরিক্ত ফি আদায় করেন বলে প্রায় ১০০ জনের স্বাক্ষর কৃত লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এছাড়া অতিরিক্ত টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহের পরও তাদের দেয়া ভুল সংশোধন করতে আসলে আরো বাড়তি টাকা দিতে হয়। চেয়ারম্যান ও সচিব বলেন তাদের দ্বারাকাজ করাতে হলে প্রত্যকে ভুল নিবন্ধন প্রতি প্রতি ৪/৫ হাজার টাকা দিতে হবে টাকা নিয়ে চেয়ারম্যান ও সচিব অনলাইনে সংশোধন করে দিয়াছেন, কিন্তু অনেকে নিবন্ধন বাতিল করা হয়না,এতে দুই নাম্বার করে জনগনের সাথে প্রতারণা করা হয়।আর যাদের নিবন্ধন নির্ভুল তাদের কাছ থেকে অবস্থা বুঝে ২০০শত ৩০০শত৫০০শত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন অতছ সরকারী কোনো রশিদ দেওয়া হয় নাই।
এটা দেখারও কেউ নেই বলে জানান স্থানীয়রা।
জেলা প্রশাসকে বরাবর লিখিত আবেদন করা হয় বিকাল ৩ ঘটিকায়
বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কমর্কর্তা
বরাবর লিখিত আবেদন করা হয় দুপুর ১২ঘটিকায়
বিশ্বনাথ উপজেলা বাইছ চেয়ারম্যান
মাওঃহাবিবুর রহমানের বরাবর লিখিত আবেদন দেন এলাকাবাসী

এ ব্যাপারে ইউপি সচিব মোঃ সাবুল আহমেদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ।

সংশ্লিষ্ট ইউপিচেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান ছাতিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, অতিরিক্ত ফী নেওয়া হয় তা আমার জানা নাই, এ বিষয়টি দেখে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।

বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল চৌধুরী টাইম সিলেট প্রতিনিধি’কে বলেন, এ ব্যাপারে আমি দেখতেছি।