মমো সন্ত্রাসী মারা যাওয়ার পর বর্তমান তারই ছেলে আক্তার বাহিনীর কাছে ১৫/১৬ গ্রামের জনগন জিম্মি


দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩১, ২০১৯, ২:২০ অপরাহ্ন / ২৬৮
মমো সন্ত্রাসী মারা যাওয়ার পর বর্তমান তারই ছেলে আক্তার বাহিনীর কাছে ১৫/১৬ গ্রামের জনগন জিম্মি

মমো সন্ত্রাসী মারা যাওয়ার পর বর্তমান তারই ছেলে আক্তার বাহিনীর কাছে ১৫/১৬ গ্রামের জনগন জিম্মি।<br> কুষ্টিয়া জেলার, কুমারখালী উপজেলা আদাবারে গ্রামে যা প্রশাসন অবগত আছে। তার দাপটে কুমারখালী দক্ষিন অঞ্চলের সাধারণ মানুষ আতংক দিন কাটাচ্ছে। ১৯৯৮/৯০ সালের দিকে তার নিজ গ্রামের চার ঘর হিন্দু শ্রী রমন,শ্রকালা,শ্রীমন্টু, শ্রীনাটো এদের বাড়ীসহ সব মাঠের জমি অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে রেজিষ্ট্রী করে নেয় এবং তাদের সর্বস্ত নিয়ে রাতের অন্ধকারে ভারতে যেতে বাধ্য করে।এই সম্পতির ভাগ তার দলের কর্মী কে (তার পুতুরে জামান) এই দুজনের ঐ হিন্দুদের জমির ভাগ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেই সব সম্পতির নিজের ও নিজের আপন জনদের নামে করে। এর ফলে ঐ মাতব্বর ব্যাপারী ও তার পুতুরে মিলে তাকে ডেকে এনে তার বাড়ীতে হত্যা করে মাঠের মধ্যে ফেলে রাখে, শুরু হয় গ্রামের সামাজিক কন্দল। বাবার প্রতিশোধ ও হিন্দুদের ঐ সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য তার বড় ছেলে আঃ ছাত্তার ও তার ছেলে আক্তার ও তার ভাতিজা সলোমান ও ইদবার (পিতা মনোহর) ও তার পতিবেশি মছেন তার ছেলে রাশেদ ওরা মিলে তার রেখে যাওয়া অগনিত অস্ত্র দিয়ে পাটি শুরু করে। শুরু হয় অস্ত্র রাজত্ব তারা ভোড়ুয়াপাড়ার আল্লেক কে আদাবাড়ীয়া ফল বিশ্বাসের বাড়ীতে গুলি করে হত্যা করে। দক্ষিণ মনোহরপুরে লাল জমিদারকে বাঁশগ্রাম বাজার হতে বাড়ী ফেরার পথে সাবেক এম পি আব্দুল রউফ এর বাড়ীর পিছনে ক্যানেলের উপর ছুরির আঘাত ও পরে গুলি করে হত্যা করে এই আক্তার বার্হীনি। এই বার্হীনির অস্ত্রের ভয়ে কেউ মামলা করতে পারে না,যদিও পুলিশ বাদী মামলা হয় তবুও স্বাক্ষীদের ভয় দেখিয়ে ও টাকার জোরে মামলা থেকে খালাস পায়। এর পর বরইচারা গ্রামের ওহিদুল কে ডেকে এনে আক্তারের নেতৃত্বে ভাটাই পোড়ানো হয়। এরই মধ্যে তার বড় ভাই ছাত্তার কে আক্তার নারী ঘটিত বিষয়ে তার অন্যান্য বন্ধুদের দিয়ে হত্যা করে লোক মুখে শোনা যায় আক্তার বাঁশগ্রাম বাজার ডাকাতী করে (মামলা আছে) ডাকাতী করা অর্থ ভাগ করা নিয়ে তার হুকুমে সলোমান ও ইদবার (রাশো) কে খাল বাজারের পাশে জবাই করে। পুলিশের কাছে সলোমান ও ইদবারের স্বীকার উক্তি আছে। এই আক্তার বার্হীনির সলোমান, ইদবার ঢাকা গাজীপুর গিয়ে চৌরঙ্গীর ভালুকা গ্রামের আফান নামের একজন কে ছুরির আঘাতে হত্যা করে লাশের কাছে আক্তারের ছবি কলেজের আইডি কার্ড ও অনেক প্রমানাদি পাওয়া যায়। অস্ত্রের হুমকী দেখিয়ে অাফানের পরিবার কে মামলা করতে নিষেধ করে বর্তমানে সে একাধিক অস্ত্রের মালিক ও একাধিক মামলার অভিযুক্ত আসামী যাহা প্রশাসন অবগত আছে। সামনে বিস্তারিত আসছে