ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কালজয়ী গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬ তম জন্মবার্ষিকী

কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত কালজয়ী উপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬ তম জন্মবার্ষিকী আজ তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায় বাবা সৈয়দ মীর মুয়াজ্জম হোসেন ও মা দৌলতন নেছার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পদমদী গ্রামে মৃত্যুবরণ করলে এখানেই সমাহিত করা হয় মহান এই মনীষীকে।
মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী ঘিরে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি মীরের সমাধীস্থল পদমদীতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকলেও এ বছর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেনি তাঁরা। এদিকে মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র, মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রী কলেজ
প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন-
জেলা প্রশাসন মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য পরিষদের পক্ষে কবি,মুন্সী আমীর আলী মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদ রাজবাড়ীর পক্ষে কবি সালাম তাসির। বালিয়াকান্দি আদর্শ লাইব্রেরী ও মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ। পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।পরে বালিয়াকান্দি আদর্শ লাইব্রেরিতে মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত মুন্সী আমীর আলীর সভাপতিত্বে মীর মশাররফ হোসেনের জীবনালেখ্যর উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে
প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বলে জানান ইউএনও রফিকুল ইসলাম।
মশাররফ হোসেনের সমাধীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং সুবিধামতো সময়ে রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন, মানবসম্পদ ও পরিকল্পনা বিভাগ) ডা.কে এম মুজাহিদুল ইসলাম।
বাংলার মুসলিম সমাজের দীর্ঘ অর্ধ শতাব্দীর জড়তা দূর করে আধুনিক ধারায় ও রীতিতে সাহিত্য চর্চার সূত্রপাত ঘটে তাঁর শিল্পকর্মের মাধ্যমে। তাঁর লেখা উপন্যাস ‘উদাসী পথিকের মনের কথা’ (১৮৯০), ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’, ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩), আত্মকাহিনীমূলক রচনাবলী ‘আমার জীবনী’, ‘বিবি কুলসুম’ (১৯১০), সহ বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, প্রবন্ধ ও ধর্মবিষয়ক ৩৭টি বই বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি হয়ে রয়েছে।
ট্যাগ :

কালজয়ী গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬ তম জন্মবার্ষিকী

কপি না করে নিউজ লিখা শিখুন!

কালজয়ী গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬ তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত কালজয়ী উপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬ তম জন্মবার্ষিকী আজ তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায় বাবা সৈয়দ মীর মুয়াজ্জম হোসেন ও মা দৌলতন নেছার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পদমদী গ্রামে মৃত্যুবরণ করলে এখানেই সমাহিত করা হয় মহান এই মনীষীকে।
মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী ঘিরে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি মীরের সমাধীস্থল পদমদীতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকলেও এ বছর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেনি তাঁরা। এদিকে মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র, মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রী কলেজ
প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন-
জেলা প্রশাসন মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য পরিষদের পক্ষে কবি,মুন্সী আমীর আলী মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদ রাজবাড়ীর পক্ষে কবি সালাম তাসির। বালিয়াকান্দি আদর্শ লাইব্রেরী ও মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ। পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।পরে বালিয়াকান্দি আদর্শ লাইব্রেরিতে মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত মুন্সী আমীর আলীর সভাপতিত্বে মীর মশাররফ হোসেনের জীবনালেখ্যর উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে
প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বলে জানান ইউএনও রফিকুল ইসলাম।
মশাররফ হোসেনের সমাধীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং সুবিধামতো সময়ে রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন, মানবসম্পদ ও পরিকল্পনা বিভাগ) ডা.কে এম মুজাহিদুল ইসলাম।
বাংলার মুসলিম সমাজের দীর্ঘ অর্ধ শতাব্দীর জড়তা দূর করে আধুনিক ধারায় ও রীতিতে সাহিত্য চর্চার সূত্রপাত ঘটে তাঁর শিল্পকর্মের মাধ্যমে। তাঁর লেখা উপন্যাস ‘উদাসী পথিকের মনের কথা’ (১৮৯০), ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’, ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩), আত্মকাহিনীমূলক রচনাবলী ‘আমার জীবনী’, ‘বিবি কুলসুম’ (১৯১০), সহ বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, প্রবন্ধ ও ধর্মবিষয়ক ৩৭টি বই বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি হয়ে রয়েছে।